শেরপুরের ঐতিহ্যবাহী মাইসাহেবা জামে মসজিদে অগ্নিকাণ্ড

মোঃ হামিদুর রহমান : বৃহত্তর ময়মনসিংহ বিভাগের ঐতিহ্যবাহী মাইসাহেবা জামে মসজিদে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।৪ জুলাই রোববার সকাল ১১টায় ওই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।শেরপুর জেলার এই অন্যতম প্রাচীন মসজিদটি জেলা শহরের বাগরাকসা মহল্লার শেরপুর সরকারি কলেজের পূর্ব পার্শ্বে অবস্থিত।ধারণা করা হচ্ছে মসজিদটির সিসিটিভি ক্যামেরা থেকে শর্ট সার্কিটের মাধ্যেমে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত ঘটে থাকতে পারে।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ২ টি ইউনিট ঘটনাস্থলে ছুট যায়।তবে এর আগেই মসজিদে থাকা অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন স্থানীয় এলাকাবাসী।এদিকে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে মাইসাহেবা মসজিদ পরিদর্শন করেছেন শেরপুরের জেলা প্রশাসক মোঃ মোমিনুর রশীদ,পুলিশ সুপার মোঃ হাসান নাহিদ চৌধুরী ও পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া লিটন,সাবেক সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ছানুয়ার হোসেন ছানুসহ সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় মুসুল্লীগণ।

মাইসাহেবা জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়াদুদ অদু জানান,৪ জুলাই রোববার সকালে ১১ টায় মসজিদে অগ্নিকান্ডের ঘটনার খবর পাওয়ার পরই আমরা ফায়ার সার্ভিসে খবর দেই।এরপর ফায়ার সার্ভিসের ২ টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌছার আগেই স্থানীয় এলাকাবাসীরা মসজিদে থাকা অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলে।

এ ঘটনায় প্রায় ৭ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম স্বপন বলেন,মসজিদে থাকা সিসি ক্যামেরা ও বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে।খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি টিম ঘটনাস্থলে আসে।এর আগেই আমরা আল্লাহর রহমতে আগুন নেভাতে সক্ষম হই।

এ ঘটনায় মসজিদের ওই কক্ষে একটি এলইডি মনিটর,এসি,ইন্টারনেট সংযোগের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্রাংশ,কয়েকটি সিসি ক্যামেরা,চেয়ার,টেবিল, আইপিএসসহ বিভিন্ন মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়।এব্যাপারে শেরপুর ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক জাবেদ হোসেন মোঃ তারেক জানান,আমরা প্রাথমিকভাবে ধারনা করছি বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত ঘটেছে।ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ মসজিদ কর্তৃপক্ষ থেকে জানিয়েছে তা ৭ লক্ষ টাকা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *