কক্সবাজারের পেকুয়ায় সন্ধ্যা হলেই বসে জুয়া ও মাদকের রমরমা আসর

শাহ জামাল : কক্সবাজারের পেকুয়ায় সন্ধ্যা হলে বসে মাদক ও জুয়ার আসর।পেকুয়া সদর ইউনিয়নের গোঁয়াখালী মাতবর পাড়া এলাকার মৃত মোহাম্মদ কালুর পুত্র মোঃ ইদ্রিস ও চান্দুর ঘর এখন মাদকসেবীদের নিরাপদ আস্তানায় পরিণত হয়েছে।বিকাল হলেই মাদক ব্যবসায়ীরা মাদক বেচাকেনার পাশপাশি সেবনও করে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে।এ নিয়ে এলাকার সাধারণ মানুষজন উদ্বিগ্ন।

জানা যায়,উপজেলার সদর ইউনিয়নে গোঁয়াখালী মাতবর পাড়া এলাকায় গত কয়েক মাস ধরে নিয়মিত দুই সহোদরের বাড়িতে বসে মাদকের আসর।বিকাল হলেই বিভিন্ন এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীরা তাদের বাড়িতে এসে জড়ো হয়।তারপর চলে মাদক বেচাকেনা মাদকসেবন ও জুয়ার আসর।চলে গভীর রাত পর্যন্ত।

এলাকাবাসী জানান,আমাদের এই এলাকা এখন মাদকের ডেরায় পরিনত হয়ে তাদের দুই ভাইয়ের কারনে।কেউ প্রতিবাদ করলে প্রাণ নাশের হুমকি দেয়।মাদক সেবন করে রাস্তায় এসে মাতাল হয়ে নারীদের ইভটিজিং ও অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে।মাদকসেবীরা নেশাজাত দ্রব্য পান করে মহিলাদের প্রায় সময় উত্যক্ত করে।

বিশেষ করে স্কুল,মাদ্রাসা ও কলেজের অধ্যয়নরত ছাত্রীরা ইভটিজিংয়ের শিকার হচ্ছে।মাদকসেবীরা নেশা পান করে মাতাল অবস্থায় মহিলাদের যৌন হয়রানির চেষ্টাও করেছে একাধিকবার।সর্বশেষ গত ১ সপ্তাহের ব্যবধানে ৪ জন নারী চরম হেনস্থার শিকার হয়েছে।গৃহবধূ কহিনুর আক্তার জানান, আমরা তারা দুই ভাইয়ের কারনে অতিষ্ট হয়ে গেছি।

ওদের মুখের ভাষা শুনলে বুঝতে পারবেন কত নিকৃষ্ট।গাঁজা ও ইয়াবা বিক্রি করে তারা সেবনও করে।মহিলাদের দেখলে কুৎসিত মন্তব্য করে।আমরা পেকুয়া থানা পুলিশের সহযোগিতা কামনা করছি।গোঁয়াখালী মাতবরপাড়া সমাজ কমিটির সর্দার জেব্রিছ চৌং জানান,আসলে বিষয়টি সঠিক।আমি তারা দুই ভাইকে আমি কয়েকবার বলেছি এগুলো বন্ধ করতে।

একজন নারী হেনস্থা হয়েছিল।আমাকে অভিযোগ দেয়।আমি গিয়ে সতর্ক করেছি।ইউপি সদস্য নুরুল হক সাদ্দাম বলেন,আসলে তারা দুই ভাই গাঁজা সেবন করে।বিষয়টি আমি দেখব।পেকুয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) কানন সরকার জানান,মাদক ও জুয়ার আড্ডায় পুলিশ অবিশ্যয় অভিযান পরিচালনা করবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *