লক্ষীপুর সদর হাসপাতালে নবজাতকের অস্বাভাবিক মৃত্যু

জিহাদ হোসাইন : লক্ষীপুর সদর হাসপাতালে নবজাতকের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।অভিযোগের ভিত্তিতে জানা গেছে,লক্ষীপুরের কমলনগর উপজেলার ৮ নং চর কাদিরা ইউনিয়নের চর ঠিকা গ্রামের আলী আহমদ সওদাগর বাড়ীর শাহনেওয়াজ (বিএলডি)র বড় ছেলে সাইফুল ইসলাম সবুজের স্ত্রী নাদিয়া বেগমের প্রসব বেদনা উঠলে শুক্রবার সকালে সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।যার ভর্তি রেজি নং-২২২১২।

দুপুর একটার দিকে ছোট সিজারের পর নবজাতক ছেলে শিশুটাকে তড়িঘড়ি করে বিশেষায়িত সেবা কেন্দ্রে নিয়ে যায় সেবিকারা।এইদিকে নবজাতকের বাবা সাইফুল ইসলাম সবুজ ও তার আত্মীয়রা একনজর নবজাতককে দেখতে চাইলেও তাদের দেখানো হয়নি বলে জানান।অন্যদিকে প্রসূতি মাকে মিনি সিজারের রুমে চড়-থাপ্পড় মারেন বলেও ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন।এর কিছুক্ষণ পরে নবজাতক শিশুটিকে মৃত বলে সেবিকা লক্ষী রানী ও নুরজাহান বাড়ি নিয়ে যেতে বলেন।

রোগীর ছাড়পত্র ও নবজাতক শিশুর মৃত্যুর কারণ না জানিয়েই তাদের ছেড়ে দেয়া হয়।তবে নাম ও সীল ছাড়া সাদা কাগজে যৎসামান্য ঔষধ লিখে দায়সারাভাবে দায়িত্ব পালন করেন সেবিকারা।এ বিষয়ে সেবিকা নুরজাহান ও লক্ষী রানী কোন সদুত্তর দিতে পারেননি।তবে আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) আনোয়ার হোসেন নবজাতক শিশুর মৃত্যুর ঘটনাকে এড়িয়ে নাদিরা বেগমকে চড় থাপ্পর মারার বিচারের আশ্বাস দেন।

জেলা সিভিল সার্জন আব্দুল গফফার তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিলে মৃত নবজাতকের দাদা শাহনেওয়াজ ক্ষান্ত হন।জেলা প্রশাসক অঞ্জন চন্দ্র পালকে মোবাইল ফোনে ঘটনাটি জানালে তিনি মর্মাহত হন। হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকায় তৎক্ষণাৎ কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে না পারলেও ভুক্তভোগী শাহনেওয়াজ বিএলডিকে আশ্বস্ত করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *