রাজবাড়ীর পাংশা সরকারী কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎসহ দূর্নীতির অভিযোগ

রতন মাহমুদ : রাজবাড়ীর পাংশা সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাঃ আতাউল হক খান চৌধুরীর বিরুদ্ধে কলেজের সকল শিক্ষকগন দূর্নীতির বিরুদ্ধে সৌচ্চার হয়ে উঠেছেন।পাংশা সরকারি কলেজ শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এ.কে এম শরিফুল মোর্শেদ রঞ্জু স্বাক্ষরিত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর লিখিত ভাবে আবেদন করে অধ্যক্ষ আতাউল হক খান চৌধুরীর দূর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানিয়েছে।

অভিযোগ সুত্রে জানাগেছে,কলেজ অধ্যক্ষ দূর্নীতি,আর্থিক অব্যবস্থাপনা,শিক্ষকদের সাথে অ-সৌজন্য মূলক আচরন এবং স্বাধীনতার চেতনার পরিপন্থি কার্যাকালাপে লিপ্ত হয়ে বিভিন্ন সময় শিক্ষকদের হয়রানী ও জিম্মি করে অর্থ কামাই করায় তার নেশা হয়ে উঠেছে বলে শিক্ষক পরিষদের সভায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন
শিক্ষকগন।

২৪ নভেম্বর মঙ্গলবার পাংশা সরকারি কলেজের শিক্ষক মিলনায়তনে শিক্ষক পরিষদের এক সভায় অধ্যক্ষ আতাউল হক খান চৌধুরীর বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দূর্নীতির কথা তুলে ধরেন শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এ.কে এম শরিফুল মোর্শেদ রঞ্জু।শিক্ষক নেতা রঞ্জু অভিযোগ করেন শিক্ষকদের জাতীয় করণের নামে ঘুষ হিসাবে ৯ লক্ষ টাকা এবং বেতন করানোর নামে ২০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন অধ্যক্ষ।

বাজেট প্রণয়নের নামে ভুয়া কমিটি করে তিনি প্রায় ৯ লক্ষ টাকা বন্ঠন করে নিয়েছেন।অনলাইন ফিসের নামে পরিপত্র অনুযায়ী সরকারি ভাবে ২০ টাকা করে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি রশিদের মাধ্যমে ২০০ টাকা করে নিয়ে তা নিজে আত্বসাৎ করেছেন।তিনি সরকারী বাসভবনে বসবাস করেও সরকারী ভাবে বাড়ী ভাড়া উত্তোলন করে আসছেন।

তিনি কলেজ ক্যাম্পাসে এসি যুক্ত আধুনিক আসবাব সজ্জিত বাসায় বসবাস করেন।বিভিন্ন কমিটি গঠন করে অনৈতিককভাবে নিজে আহবায়ক হন এবং সম্মানী হিসাবে বড় অংক বরাদ্ধ নেন।কলেজে স্বাধীনতার চেতনায় বিশ্বাসী শিক্ষকদের হেনস্তা করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে, এমনকি মুজিববর্ষ ও ১৫ আগষ্ঠ জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানেও দেখা যায়নি ওই অধ্যক্ষকে বলেও অভিযোগ করেন শিক্ষকগন।

পৌর কর নিয়ে পৌরসভার সাথে চলা বিষয়টি সকল শিক্ষকদের মধ্যে নানা গুনজন ছড়িয়ে পড়েছে ।এছাড়াও তিনি নিয়মিত কলেজে থাকেন না এটা কমন একটি অভিযোগ বলে জানিয়েছেন ওই কলেজের ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীরা।এসব বিষয় নিয়ে অধ্যক্ষ আতাউল হক খান চৌধুরীর সাথে কথা হলে তিনি বলেন শিক্ষকরা আমাকে জোর করে ২ কোটি ২০ লক্ষ টাকার চেক প্রদানে বাধ্য করতে না পেরে আমার
বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে এ সকল অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *