মা ইলিশ রক্ষা অভিযানে ৪২জেলের জেল,হাজার মিটার জাল উদ্ধার

রতন মাহমুদ : নিষিদ্ধ ঘোষিত সময়ে মা ইলিশ রক্ষা অভিযানের ২২দিনে রাজবাড়ী জেলার পাংশা ও কালুখালী উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর অভিযান চালিয়ে ৪২জেলের জেল দিযেছে,৫০জনকে জরিমানা করেছেন সেই সাথে ১১লক্ষ হাজার ৫৪১মিটার কারেন্ট জাল উদ্ধার করে পুড়িয়ে বিনষ্ট করেছে।২টি উপজেলায় ৩৬টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে জেলেদের জেল ও জরিমানা আদায় করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত।

২টি উপজেলায় অভিযান হয়েছে পদ্মা নদীতে ১৬৫ বার অভিযানে গিয়েছে মৎস্য অধিদপ্তর।২২ দিনের এ অভিযানে পাংশা উপজেলায় ২৮টি মামলা হয়েছে কালুখালীতে ৩১টি মামলা দায়ের হয়েছে।গত ২২ দিনের পাংশা উপজেলায় ১৩টি মোবাইল কোর্ট,অভিযান হয়েছে ৭৯টি,মামলা হয়েছে ২৮টি,জেল হয়েছে ২০ জনের,জরিমানা হয়েছে ৩৬জনের ও ৬লক্ষ ২০মিটার কারেন্ট জাল উদ্ধার করে পুড়িয়ে নষ্ট করেছেন।

কালুখালী উপজেলায় ২৩টি মোবাইল কোর্ট,৮৬টি অভিযান ৫লক্ষ হাজার ৬২১মিটার জাল উদ্ধার করে পুড়িয়ে ধংস করেছে।মামলার সংখ্যা ৩১টি জেল হয়েছে ২২জনের এবং জরিমানা করা হয়েছে ১৪জনকে।পাংশাউপজেলা মৎস্য অফিসার মোস্তারিনা আফরোজ,কালুখালী উপজেলা মৎস্য অফিসার মোঃ আব্দুস সালামর নেতৃত্বে পদ্মা নদীতে এসব অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

পাংশা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিপুল চন্দ্র দাস, কালুখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার,জেলা থেকে আগত নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ আসাদুজ্জামান এসব অভিযানে ভ্রাম্যমান আদালতে এসব জেল জরিমানা প্রমান করেছেন।অভিযানে বিভিন্ন সময় উদ্ধার হওয়া মা ইলিশ বিভিন্ন এতিম খানায় ও গরীব দুঃখী মানুষের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে।

এ সকল অভিযানে র‌্যাব-৮,পাংশা মডেল থানা পুলিশ ও কালুখালী থানা পুলিশ সহায়তা প্রদান করেছেন।কালুখালী উপজেলা মৎস্য অফিসার আব্দুস সালাম বলেন,আমরা চেষ্টা করেছি এই নিষিদ্ধ সময়ে মা ইলিশ রক্ষায় সর্বাত্মক কাজ করতে,সেই অনুযায়ী আমরা নিয়মিত পদ্মা নদীতে অভিযান করেছি।গত বছরের সফল অভিযানের কারনে আমরা এ বছর সব সময় বাজারে ইলিশ মাছ তুলনা মূলক ভাবে কম দামে ক্রয় করতে পেরেছি।

আশা করছি এ বছরেও আমরা আমাদের লক্ষ পুরণ করতে পারব।প্রসঙ্গত গত ১৪ অক্টোবর খেকে ৪ নভেম্বর প্রর্যন্তু ২২দিন ব্যাপী পাংশা-কালুখালী উপজেলার মধ্যে দিয়ে বয়ে যাওয়া পদ্মা নদীতে অভিযান চালিয়েছেন মৎস্য অধিদপ্তর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *