সাবেক স্বামীর ছুরিকাঘাতে কুমিল্লায় মহিলা কাউন্সিলরকে হত্যার চেষ্টা

নেকবর হোসেন: কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের ১৬, ১৭, ১৮ নং ওয়াডের্র সংরিক্ষত মহিলা কাউন্সিলর হাজী নেহার বেগমকে হত্যার অপচেষ্টা চালাচ্ছিল দীর্ঘদিন ধরে। তিন বছর আগে বিচ্ছেদ হওয়া তার স্বামী মোঃ রফিকুল ইসলাম রুক্কু । আজ ২২ অক্টোবর সকালে কাউন্সিলর নেহার বেগম প্রাতঃ ভ্রমণকালে তার নিজ এলাকায় সকাল সাড়ে আট ঘটিকার সময় তার উপর হত্যার উদ্দেশ্যে অতর্কিত হামলা চালায় তার সাবেক স্বামী রুক্কু।

এমনটিই অভিযোগ করেছেন কাউন্সিলর নেহার বেগমের ছেলে জহিরুল ইসলাম সুমন।স্থানীয় সূত্র জানায়, কাউন্সিলর নেহার বেগমকে হত্যা করার জন্যই এমন হামলা করা হয়। হামলায় কুসিক কাউন্সিলর নেহার বেগমকে কাটার দিয়ে আঘাত করে ঘাড়ের বাম পাশে কেটে ফেলে এতে করে গুরুতর আহত হন নেহার বেগম। এমতাবস্থায় তাকে চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

বর্তমানে তিনি কুমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন। এ বিষয়ে কুমেক চিকিৎসক জানান, গুরুতর আঘাত হওয়ায় প্রায় ত্রিশটি সেলাই লাগে। কুসিক কাউন্সিলর নেহার বেগমের ছেলে জহিরুল ইসলাম সুমন গণমাধ্যমকে জানান, আমার মাকে মেরে ফেলার জন্যই এমন হামলা করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই কিছু কুচক্রি মহল ওৎপেতে আছে এমন দুর্ঘটনা ঘটানোর জন্য।

বর্তমানে আমরা নিরপত্তাহীনতার মধ্যে আছি। মামলা করার বিষয়ে তিনি বলেন আমরা আজই মামলা করবো এবং এমন নৃশংস ঘটনার জন্য বিচার চাইবো।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে কুমিল্লা সিটি কপোর্রেশনের ১৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিল সৈয়দ মোঃ সোহেল বলেন, তাদের বিয়ে হয়েছে প্রায় ৪৪ বছর আগে, তারা দীর্ঘদিন একসাথে বসবাস করার পর, প্রথম নিবার্চনে অংশগ্রহণ করে হাজী নেহার বেগম পরাজয়বরণ করেন, দ্বিতীয়বার পুণরায় নিবার্চনে অংশগ্রহন করে নিবার্চনে জয়লাভ করার পর নেহার বেগম তার স্বামীকে তালাক প্রদান করেন। গত তিন বছর আগে তাদের ডিভোর্স হয়, ডিভোর্স দেওয়ার পর থেকে তার সাবেক স্বামী অনেকটা মানুষিক ভারসাম্যহীন হয়ে পরেন।

সৈয়দ মোঃ সোহেল বলেন আজ যে ঘটনা ঘটেছে এটা অত্যন্ত দুঃখজনক, একজন জনপ্রতিনিধীকে এভাবে প্রকাশ্যে হত্যার উদ্দ্যেশে আঘাত করা বেআইনী। আমি এই ঘটনা দেখার পর আমার এলাকার লোকদের সাথে যোগাযোগ করে আসামীকে ধরে কুমিল্লা কোতয়ালী থানাধীন চকবাজার ফাঁড়িতে সোর্পদ করি এবং ইতিমধ্যে তার পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *