বুড়িচংয়ে ধর্ষণের স্বীকার প্রতিবন্ধি নারী অন্ত:সত্তা, ধর্ষক গ্রেফতার

বুড়িচং (কুমিল্লা) প্রতিনিধি কুমিল্লা জেলা বুড়িচং উপজেলা সদরে উপজেলা পরিষদের ভিতরে খাবার ক্যান্টিনের বিগত ৫/৬ মাস থেকে আয়ার কাজ করে আসছে বুড়িচং সদর এলাকার বাসিন্দা আলী আশ্রাফের বাক প্রতিবন্ধি মেয়ে মোসা: রুবি আক্তার (২৮)। গত কয়েক মাস ধরে রুবির শারীরিক পরিবর্তন দেখা দিলে এলাকাবাসীর মাঝে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। তখন রুবি আক্তারের বাড়ির লোকজন তাকে এ বিষয়ে আকার ইজ্ঞিতে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে ক্যান্টিনের মালিক আব্দুল হক (৪৮) কে রুবি হাত দিয়ে সরাসরি দেখিয়ে দেয়। এতে আব্দুল হক বিষয়টি অস্বীকার করে। পরবর্তীতে এ ঘটনায় বুড়িচং থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা হয়। মামলার বিবরণে জানা যায়, বুড়িচং উপজেলা সদরের মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে মো: আব্দুল হক (৪৮) বিগত কয়েক বছর যাবত উপজেলা পরিষদের ভিতরে একটি খাবারের ক্যান্টিন পরিচালনা করে আসছে। তার এ খাবার ক্যান্টিনে একই এলাকার আলী আশ্রাফের বাক প্রতিবন্ধি মেয়ে রুবি আক্তার (২৮) আয়া (মসলা ও বাসন কাসন পরিস্কার কাজে নিয়োজিত)। এরই সুবাদে বিগত ৫/৬ মাস আগে থেকে বাক প্রতিবন্ধি নারীকে ক্যান্টিন মালিক আব্দুল হক বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে তার ক্যান্টিনের দক্ষিণ পাশে উপজেলার একটি পরিত্যাক্ত ভবণে নিয়ে বেশ কয়েক বার ধর্ষণ করে। এতে রুবি আক্তার এক পর্যায়ে ৫/৬ মাসের অন্ত:সত্ত¡া হয়ে পড়ে। রুবির শারীরিক গঠনের পরিবর্তন দেখা দিলে স্থানীয় লোকজনের মাঝে কানাঘোষা শুরু হয় এবং বাড়ির লোকজন তাকে জানতে চাইলে সে বার বার আকার ইজ্ঞিতে ক্যান্টিন মালিক আব্দুল হককে দেখিয়ে দেয়। তখন স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ আলী আকবর মাস্টার সহ আরো অনেকে গত ৩ আগস্ট তার বাড়িতে একটি মিমাংসার বৈঠক বসে।
এতে আব্দুল হক মিমাংসার বৈঠক তোয়াক্কা না করে চলে যায়। তখন বিষয়টি বুড়িচং থানা পুলিশকে অবহিত করে একটি অভিযোগ করায় তা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়। অন্য দিকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য বাক প্রতিবন্ধি নারী রুবি আক্তারকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। অপরদিকে ক্যান্টিন মালিক আব্দুল হককে পুলিশ গ্রেফতার করে গত ৪ আগস্ট কুমিল্লা আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করে।